প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে পুরুষ তুমি কারো নও, কথাটা কেন বললাম সম্পূর্ণ লেখাটা পড়লে বুঝতে পারবেন! মানুষের সম্পর্ক বড় অদ্ভুত! যতদিন প্রয়োজন থাকে, ততদিনই সবকিছু সুন্দর লাগে। হাসি, যত্ন, ভালোবাসা সব যেন এক নিরবচ্ছিন্ন মায়ার চাদরে মোড়া। মনে হয়, এই মানুষগুলোই তোমার পৃথিবী। কিন্তু একদিন হঠাৎই বুঝে ফেলা যায়। তুমি আসলে কারো নও, তুমি ছিলে শুধু কারো প্রয়োজনের সময়ের মানুষ। পুরুষ হোক বা নারী। এই সত্যটি সবার জন্যই প্রযোজ্য, তবে পুরুষের জন্য বাস্তবতা যেন আরও কঠিন, আরও নিষ্ঠুর। সমাজ পুরুষকে দেখে দায়িত্বের প্রতীক হিসেবে। সে যেন পরিবারের ছায়া, নির্ভরতার কেন্দ্রবিন্দু। সবাই তার কাঁধে ভর করে দাঁড়ায়, কিন্তু যখন দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়। যখন সেই ছায়ার আর প্রয়োজন থাকে না। তখন পুরুষটাই যেন হয়ে যায় অচেনা এক মানুষ, যার অস্তিত্বের আর কোনো মানে থাকে না। জীবনের এই হিসেবি দুনিয়ায় সম্পর্কগুলোও আজকাল ব্যবসার মতো। ভালোবাসার জায়গায় স্বার্থ এসে বসে, স্নেহের জায়গা দখল করে নেয় প্রয়োজনের হিসাব। পুরুষ তখন পরিণত হয় এক ব্যবহৃত চরিত্রে, যার মূল্য কেবল প্রয়োজনের মেয়াদ পর্যন্তই থাকে। প্রয়োজন শেষ, মানে সম্পর্কেরও ইতি। তবু পুরুষেরা কিছু বলে না। তারা চুপচাপ সহ্য করে যায়। হয়তো ভেতরে হাজারটা ভাঙন, হতাশা, অপমান জমে থাকে, তবুও মুখে হাসি রাখে, কারণ সমাজ শেখায়। 👉 পুরুষ কাঁদে না। 👉 পুরুষ দুর্বল হয় না। 👉 পুরুষকে শক্ত থাকতে হয়। কিন্তু কেউ কি বোঝে। সেই শক্ত মুখের আড়ালে এক ভাঙা মানুষ লুকিয়ে আছে। যে প্রতিরাতে নিঃশব্দে হারিয়ে যায় নিজের ভেতর? যে চিৎকার করে বলতে চায়! প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে পুরুষও একা হয়ে যায়। আর একা মানুষকে কেউ চেনে না।
Life Story
Public . 19-Oct-2025প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে পুরুষ কেন একা হয়ে যায়?