স্ত্রীকে কখনো ব্যস্ততা দেখাতে নেই। শত ব্যস্ততা কিংবা কাজের চাপে কখনোই স্ত্রীকে আপনার মূল্যবান সময় থেকে বঞ্চিত করবেন না! এ ভারী অন্যায়। অফিসে কিংবা কাজের যতই চাপ থাকুক না কেন, অন্তত তার কলটা রিজেক্ট করার আগে একবার ভেবে নিন! মানুষটা আপনার খোঁজ নিতেই কল করেছে। বিয়ের পরবর্তী সময়ে কোনো দম্পতি মনে হয় না দীর্ঘক্ষণ কথা বলে মুঠোফোনে, বলার প্রয়োজনও নেই। একটা মানুষের খোঁজ নিতে খুব একটা কাজে ব্যাঘাত ঘটে বলে আমার মনে হয় না। কর্মব্যস্ততার অজুহাতে আপনার সঙ্গী কিংবা সহধর্মিণীকে যে ব্যস্ততা দেখাচ্ছেন, তাও কিন্তু একপ্রকার অবহেলা! একটা ব্যপার খেয়াল করে দেখবেন; যেদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠেই সঙ্গীর সাথে ভালো আচরণ করবেন, সেদিন সারাটা দিন আপনাদের দু'জনেরই ভালো দিন অতিবাহিত হবে। দুজনের মন ভালো থাকবে, দুজনের প্রতি দু'জনের আন্তরিকতা এবং ভালোবাসা বাড়বে। কাজ রেখে সঙ্গীর সাথে কথা বলার কোনো প্রয়োজন নেই। তবে সে যাতে বুঝতে না পারে কিংবা বলতে না পারে, আপনার কাজের চাপের কারণে কিংবা অজুহাতে আপনি তাকে অবহেলা করছেন-দূরে সরিয়ে রাখছেন। পুরুষ মানুষ কর্মক্ষেত্রে আজীবন লেগে থাকে, তার পরিবারের কারণেই। আর সেই কর্মব্যস্ততার অজুহাতে যদি পরিবার থেকে আপনাকে বিচ্ছিন্ন থাকতে হয়, তাহলে সেই কর্ম দিয়ে আপনি কি করবেন? মনে রাখবেন, আপনার সহধর্মিণীর মন যদি ভালো থাকে, তবে আপনি স্বামী হিসাবে তার কাছ থেকে মানসিক এবং শারীরিক সাপোর্ট-দুটোই পাবেন। আর কর্মব্যস্ততার অজুহাতে কিংবা কাজের চাপের কারণে তাকে যদি মানসিক অশান্তিতে রাখেন, তবে সে আপনাকে কস্মিনকালেও মানসিক কিংবা শারীরিক সাপোর্ট দিতে পারবে না।
Love Story
Public . 28-Dec-2024কেন স্ত্রীকে কখনো ব্যস্ততা দেখাতে নেই!