আমরা অতিরিক্ত ম্যাচিউরিটি দেখাতে গিয়ে জীবনকে উপভোগ করতে পারি না। বড় হয়েছি এখন আর এসব ইচ্ছে মানায় না, লোকে কি ভাববে,সমাজের চোখে ছোট হবো, এগুলো এখন বাচ্চামি আমাদের সাজে না। এইসব কিছু ভেবে আমরা প্রতিনিয়ত নিজের ইচ্ছে শখ স্বপ্ন নিজের হাতে মে 'রে ফেলছি। অতপর নিজেকে মৃ 'ত মনে করে অনূভুতিহীন হয়ে জীবন পার করছি। আপনার যদি ৪৫ বছরেও গিয়ে বৃষ্টিতে ভিজে গোসল করতে মন চায়, কিছু না ভেবে উঠোনে নেমে পড়ুন। আপনারা স্বামী স্ত্রী একসাথে যদি একান্ত সময় কাটাতে মন চায় দূরে কোথাও চলে যান। ইশ ছেলে মেয়ে বড় হয়েছে কি ভাববে, এই চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। বুড়ো বয়সে যদি আপনার ভালোবাসার অর্ধাঙ্গিনীর চুলে বেণী করতে মন চায় তাও করেন। নাতি পুতি হয়েছে তো কি হয়েছে আনন্দ নিয়ে জীবন কাটান। কলিগের সাথে আড্ডায় বসে যদি আপনাকে ফর্মালিটি মেইনটেইন করতে হয় তাহলে আড্ডা থেকে চলে আসুন। পাড়ার দোকানে চা নিয়ে ছোট কালের বন্ধুর সাথে আড্ডায় মাতুন। অন্তত মন খুলে কথা বলতে পারবেন। প্রেমিকার হাত ধরে ভালেবাসি বলতে মন চাচ্ছে , কানে সাদা গোলাপ ফুল দিতে মন চাচ্ছে, পায়ে পায়েল পরাতে ইচ্ছে করছে, করে ফেলুন। কারন ম্যাচুরিটি দিয়ে কখনো ভালোবাসা হয় না। একটু পা'গলামি থাকতেই হয় তবেই না ভালোবাসা টা সুন্দরময় হয়। লাল টুকটুকে শাড়ি পড়তে মন চেয়েছে, বয়স বেড়েছে মানুষ বলবে বুড়ি বয়সে শখ কতো। ভাবুক না আপনি শাড়ি পড়ে ফেলুন, দরকার পড়লে হাত ভর্তি চুড়িও পড়ুন। একটা টিপ ও পড়েন। নিজের ইচ্ছাটাকে মা'টি চা'পা দিতে নেয়। জীবন তো ছোট। লোকে এমনিতেও আপনাকে ভালো চোখে দেখবে না। তাদের কথা ভেবে অতিরিক্ত ম্যাচিউরিটি দেখাতে গিয়ে জীবনকে অসুন্দর করে তুলবেন না। নিজের ভালো থাকার জন্য হলেও একটু পা'গলামি করুন। সুন্দর করে জীবনকে উপভোগ করতে পারবেন। তাদের ৫০ বছর হলো একসাথে থাকার।?
Life Story
Public . 05-Dec-2024কেন আমরা অতিরিক্ত ম্যাচিউরিটি দেখাতে গিয়ে জীবনকে উপভোগ করতে পারি না?